Thursday, January 30, 2014

আলোকচিত্রকলার বাজার সমস্যা ও সম্ভাবনা

দেশে ক্যামেরা মালিকের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে ঠিকই কিন্তু আলোকচিত্রকলার মানোন্নয়ন হচ্ছে না। আবার যারা ফটোগ্রাফি শিখতে যাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই ‘ফাইন-আর্ট ফটোগ্রাফি’ শেখা থেকে বঞ্চিত। কারণ, আমাদের হাতেগোনা ফটোগ্রাফিবিষয়ক যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর প্রায় প্রত্যেকটিই শিক্ষার্থীকে ফটোজার্নালিস্ট অথবা কমার্শিয়াল ফটোগ্রাফার  হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। ফটোগ্রাফির আর্ট সেখানে মূখ্য নয়




সুদীপ্ত সালাম

আলোকচিত্রকলা সবচেয়ে আধুনিক শিল্পমাধ্যম হলেও এই মাধ্যমটিই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। এখনও পর্যন্ত দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগ এই মাধ্যমটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানায়নি, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত আকারে ফটোগ্রাফি বিভাগ থকালেও তা শিল্পমাধ্যম হিসেবে নয়। জাতীয় শিল্পকলাকে তুলে ধরার মহান দায়িত্ব যে প্রতিষ্ঠানটির সেই শিল্পকলা একাডেমীরও নেই আলোকচিত্রকলা সংক্রান্ত কোনো উদ্যোগ। একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালায় নেই আলাদা কোনো গ্যালারি কিংবা সংগ্রহশালা। দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোই যখন আলোকচিত্রকলার দিকে নজর দেয় না তখন আমাদের বুঝতে কষ্ট হয় না যে বাংলাদেশে গোটা আলোচিত্রকলার অবস্থান কোথায়। রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আলোকচিত্রকলা বিষয়টি এখন পুরোপুরি কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে গেছে। নেই কোনো প্রতিযোগিতা, নেই জবাবদিহিতাও। আলোকচিত্রকলা শিখতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। কোনোভাবে একটি ভালো ক্যামেরার ব্যবস্থা করা গেলেও উচ্চ হারের টিউশন ফি’র কারণে বেশিরভাগ ফটোগ্রাফিপ্রেমী ফটোগ্রাফি শিক্ষা নিতে এগোয় না। এই কারণে দেশে ক্যামেরা মালিকের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে ঠিকই কিন্তু আলোকচিত্রকলার মানোন্নয়ন হচ্ছে না। আবার যারা ফটোগ্রাফি শিখতে যাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই ‘ফাইন-আর্ট ফটোগ্রাফি’ শেখা থেকে বঞ্চিত। কারণ, আমাদের হাতেগোনা ফটোগ্রাফিবিষয়ক যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর প্রায় প্রত্যেকটিই শিক্ষার্থীকে ফটোজার্নালিস্ট অথবা কমার্শিয়াল ফটোগ্রাফার  হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। ফটোগ্রাফির আর্ট সেখানে মূখ্য নয়। বাংলাদেশের ফটোগ্রাফির ইতিহাস সুদীর্ঘ। বড় বড় আলোকচিত্রীর হাত ধরে এখানে বেশকিছু বৈপ্লবিক ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। সেসব পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী ফটোগ্রাফি সংস্থাগুলোর এখন মুমূর্ষু অবস্থা। এই অবস্থা আমাকে পীড়া দেয়। এমন এক অসম্ভব অবস্থায় আলোকচিত্রের বাজার তৈরি হওয়া সত্যিই দুষ্কর।    
    বিশ্বজুড়ে নবীন আলোকচিত্রীদের তুলে ধরার দায়িত্ব প্রধানত আর্ট গ্যালারিগুলো পালন করে থাকে। নবীন আলোকচিত্রীদের কাজ পরখ করে তাদের শিল্পকর্মগুলোকে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা গ্যালারিগুলোর দায়িত্ব। ছবি প্রিন্ট করা থেকে শুরু করে বাঁধাই ও বাজারজাত করার সকল কাজ সম্পন্ন করে গ্যালারি। নবীন আলোকচিত্রীকে গ্যালারি ভাড়াও দিতে হবে না, শিল্পকর্ম বিক্রি হলে তা থেকে একটি অংশ (৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ) নেবে গ্যালারি কর্তৃপক্ষ। এসব কথা বাংলাদেশে স্বপ্নের মতো শোনায়। এখানে আলোকচিত্রীকেই সকল খরচ বহন করতে হয়- গ্যালারি ভাড়াটা পর্যন্ত। আমি এমন কোনো তরুণ আলোকচিত্রীকে পাইনি যার প্রদর্শনীর দায়িত্ব নিজের ঘাড়ে তুলে নিয়েছে কোনো গ্যালারি। গ্যালারি মালিকরা ঝুঁকি নেন না, কেননা শিল্পকর্মের ক্রেতা সীমিত। আলোকচিত্র কেনার তো রেওয়াজই নেই। আর যারা কেনেন তারা চান নামি আলোকচিত্রীর কাজ। পয়সা দিয়ে নবীনদের সৃষ্টিকর্ম কেনার মানসিকতা ও রুচির বড় অভাব। তাই বলে গ্যালারি মালিকরা কি শুধুই নিজেদের কথা ভাববেন? শুধুই বাণিজ্য? সামাজিক দায়িত্ব বলে কিছু নেই? শুধু ব্যবসা ব্যবসা করলে গ্যালারি খোলার দরকার কি? মুদি দোকান খোলা ভালো না? আলোকচিত্রীর উপর সব বোঝা চাপিয়েও গ্যালারি মালিকরা তাদের গ্যালারি ভাড়া কমান না, নবীনদের জন্য নেই কোনো বিশেষ ব্যবস্থা। উল্লেখ করতেই হয়, বাংলাদেশে আলোকচিত্রীদের জন্য যেকটা গ্যালারি রয়েছে সেগুলোর ভাড়া অন্যান্য গ্যালারির তুলনায় অনেক বেশি! আলোকচিত্রশিল্পী তৈরি হোক আর না হোক কিন্তু বছর বছর গ্যালারির ভাড়া বেড়েই চলেছে। গ্যালারিগুলো যে একেবারেই বিনা পয়সায় প্রদর্শনীর আয়োজন করে না তাও নয়। কিন্তু তারা শুধুমাত্র বড় ও প্রতিষ্ঠিত আলোকচিত্রীদের ছবি নিয়ে প্রদর্শনীর অয়োজন করে। এই প্রদর্শনীগুলোর সাথে অর্থ কিংবা সুনাম অথবা উভয়ই জড়িত থাকে বলেই গ্যালারি মালিকরা সেগুলো আয়োজন করতে অতি উৎসাহী। গ্যালারি মালিকরা ক্রেতার চাহিদাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, শিল্পকলা ও নবীন শিল্পী উপেক্ষিত।
    বড় শিল্পীদের কারণে বাংলাদেশে চিত্রকর্মের বাজার কিছুটা হলেও জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু সেই বাজারে আলোকচিত্রের ঠাঁই নেই। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের আলোকচিত্রীরা অনেক ভালো করছেন। কোনো গবেষণা ছাড়াই বলে দেয়া যায়, বাংলাদেশের ফটোগ্রাফি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যতটা এগিয়েছে দেশের অন্য কোনো শিল্পমাধ্যম এতোটা অগ্রসর হতে পারেনি। আলোকচিত্রীরা বিশেষ করে নবীন আরোকচিত্রীরা আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় নিজেদের মেধা ও মননের অসামান্য স্বাক্ষর রাখছেন। ছিনিয়ে আনছেন বড় বড় পুরস্কার, বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন। তারপরও আলোকচিত্রীরা অবহেলিত, নিজেদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। তবে একথাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা প্রধানত প্রেস ফটো নিয়ে হাজির হয়েছি। চিত্রকলার সাথে হাঁটতে হলে আমাদেরকে ফটোগ্রাফির আর্ট তথা ফাইন-আর্ট ফটোগ্রাফির প্রতি মনোযোগী হতে হবে। আলোকচিত্রী, সরকার ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এগোলে আমাদের ফাইন-আর্ট ফটোগ্রাফি মাধ্যমও দাঁড়াবে। আলোকচিত্রকলার জন্য চারুকলার বাজারে কিছু জায়গা করে নেয়া কঠিন কিছু নয়।
আলোকচিত্রকলা বাজারের ভিত্তি তৈরি করতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে শিল্পকলা একাডেমী। কেননা নবীনদের তুলে ধরার জন্য যে অর্থ ও ঝুঁকি নিতে হয় তা নেয়ার সক্ষমতা এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে। অভিযোগ আছে, এই প্রতিষ্ঠানটি নবীন চিত্রশিল্পীদের জন্যই পর্যাপ্ত কাজ করে না। তাদের তালিকায় নিশ্চয় আলোকচিত্রী বলে কোনো শব্দই নেই। তারপর আমরা মনে করি, আলোকচিত্রকলার প্রসারে এই প্রতিষ্ঠানটির অনেক কিছু করার রয়েছে। 
বাংলাদেশের শিল্পকর্ম ক্রেতাদের আলোকচিত্র কেনার মানসিকতা একেবারেই নেই। আলোকচিত্রও শিল্পকর্ম এবং এই শিল্পকর্মও কেনা যায়Ñ এই সংস্কৃতি তৈরি করার সময়  এসেছে। এই সংস্কৃতি উন্নয়নে  রাষ্ট্র-ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্পসংস্কৃতির প্রতি দায়বোধকে আগে প্রাধান্য দিতে হবে। লাভ-লোকসানের খতিয়ান পরে। পশ্চিমা দেশে সম্ভব হলে আমাদের দেশে অসম্ভব হবে কেন? বাইরে নবীন শিল্পীদের ওপর বিনিয়োগ করাকে দায়িত্ব মনে করা হয়। একারণেই বিদেশে শিল্পীদের এখন অন্তত না খেয়ে কিংবা বিনা চিকিৎসায় মরতে হয় না। সেখানে অন্য শিল্পমাধ্যমের শিল্পীদের চেয়ে আলোকচিত্রীরা বরং বেশি ভালো থাকেন। শিল্পকলার ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করা আমাদের জন্য অসম্ভব। তাই আমাদের শিল্পীরা শিল্পকলাচর্চাটাকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন না। নিতে পারলেও সেই শিল্পকলাকে আর বিশুদ্ধ শিল্পকলা তথা ফাইন আর্ট হিসেবে জিইয়ে রাখা যায় না। তখন চিত্রশিল্পী হয়ে যান ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, আলোকচিত্রশিল্পী বনে যান ফ্যাশন ফটোগ্রাফার কিংবা ওয়েডিং ফটোগ্রাফার। পাশের দেশ ভারত ইতোমধ্যে নিজস্ব চারুকলার একটি শক্তিশালী বাজার করে ফেলেছে। তন্মধ্যে ভারতীয় আলোকচিত্রকলার বাজার বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ভারতে শত শত গ্যালারি রমরমা ব্যবসা করছে এবং আন্তর্জাতিক মানের চিত্রশিল্পী ও আলোকচিত্রী তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ভারতের আর্ট মার্কেটও বিকশিত হচ্ছে। নিলামেও তাদের শিল্পকর্ম বিক্রি হচ্ছে। এই উন্নতির প্রধান কারণ- তাদের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র নিজেই। আমাদের দেশে গ্যালারির সংখ্যা কম। আর ঢাকার বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো গ্যালারি তো নেই-ই। সরকার উদাসীন। ফলে শিল্পী তৈরির হার উল্লেখযোগ্য নয়। গ্যালারি মালিকরা বলবেন- গ্যালারি ব্যবসায় লাভ নেই। লাভ কিভাবে হবে? শিল্পী তৈরি না হলে ভালো ছবি দেয়ালে ঝুলবে না, আর ভালো ছবি না থাকলে ক্রেতাও কিনবে না। আর ক্রেতা যাতে কেনে তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থা নিতে পারে গ্যালারি কর্তৃপক্ষই। যত বিক্রি তত লাভ, তত উন্নতি। এতে করে দেশের শিল্প-সংস্কৃতিও সমৃদ্ধ হয়। আগেই বলেছি নিজেদের বাজার তৈরি করতে হলে একটি যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজন। যেখানে মূল ভূমিকা পালন করবে রাষ্ট্র।
ক্রেতাদের বুঝাতে হবে নবীন আলোকচিত্রীরাও ভালো করছে। আলোকচিত্রও চারুকলার অন্তর্ভূক্ত।  শুধু বিখ্যাত আলোকচিত্রীদের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। একটি ভালো আলোকচিত্রও আপনার মনকে প্রসন্ন এবং আপনার ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সক্ষম। ভালো ছবি শুধুমাত্র অভিজ্ঞতা ও বয়সের ওপর নির্ভর করে না। আমাদের সংবাদমাধ্যম এই কথাগুলো বলার দায়িত্ব নিতে পারে। এক্ষেত্রে গ্যালারিগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। কারা ভালো ছবি তুলছে, কোথায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী চলছে, দর-দাম কেমন ইত্যাদি তথ্য এবং নিয়মিত ফটোগ্রাফিবিষয়ক নিবন্ধ ও রিভিউ প্রকাশ করা যেতে পারে।   
    আমাদের আলোকচিত্রকলার বৃদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা হলো, আলোকচিত্রকলার লেখক ও সমালোচক নেই। কিছু বই রয়েছে। বাংলা ভাষায় লেখা বইয়ের সংখ্যা হাতেগোনা। কিন্তু পত্র-পত্রিকায় ফটোগ্রাফিবিষয়ক লেখা নেই। যারা লিখলে পত্রিকা খুশি হয়ে ছাপাবে তারা লেখেন না, আর যারা লেখেন তাদের লেখা কেউ ছাপায় না। আমি বুঝি না ফটোগ্রাফি নিয়ে লাখ লাখ ছেলে-মেয়েদের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও পত্রিকা ও ম্যাগাজিনগুলো কেন ফটোগ্রাফি সংক্রান্ত একটি নিয়মিত বিভাগ রাখে না। ভাবতে অবাক লাগে যে দেশকে বিশ্বের বড় বড় ক্যামেরা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় বাজার হিসেবে দেখছে সে দেশে একটিও পূর্ণাঙ্গ ফটোগ্রাফিবিষয়ক ম্যাগাজিন নেই। আমাদের আলোকচিত্রকলার বাজার তৈরিতে লেখালেখি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
দেশীয় ও বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও যদি তাদের সিএসআর (সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম)-এর তালিকায় ফটোগ্রাফিকে অন্তর্ভুক্ত করে নেয় তাহলে সরকার ও গ্যালারি মালিকদের বোঝা অনেকটা লাঘব হয়। অন্যদিকে নবীন আলোকচিত্রীর পাশাপাশি চারুকলাও ঋদ্ধ হয়। আলোকচিত্রকলাকে ‘প্রোমোট’ করাও সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় পড়ে।
    আলোকচিত্রশিল্পীদের দিন বদলে একটি সুসংগঠিত সাংস্কৃতিক আন্দোলন খুব প্রয়োজন। এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্য দিয়েই আলোকচিত্রকর্ম কেনা-বেচার সংস্কৃতির প্রচলন হবে। সমুন্নত হবে আমাদের শিল্পকলা। এই আন্দোলন সফল হতে বাধ্য যদি রাষ্ট্রযন্ত্র, সুশিক্ষিত আলোকচিত্রী গোষ্ঠী ও গ্যালারি মালিকরা একই মঞ্চে সমবেত হয়। আলোকচিত্রকলার মতো একটি সম্ভাবনাময় ও শক্তিশালী শিল্পমাধ্যমকে লালন করা প্রত্যেক শিল্পমনা মানুষের কর্তব্য।        

-সাপ্তাহিক ২০০০ পত্রিকায় প্রকাশিত

No comments:

Post a Comment