বাংলাদেশে পোরট্রেট ফটোগ্রাফি বিকশিত হয়েছে নাসির আলী মামুনের একাগ্র একক প্রচেষ্টায় এবং তিনি এদেশে পোরট্রেট ফটোগ্রাফির সূচনা করেন। তাকে দেশি পোরট্রেট ফটোগ্রাফির জীবন্ত কিংবদন্তি বললে ভুল হবে না। খ্যাতিমান মানুষদের বিভিন্ন দুর্লভ মুহূর্ত অনুসন্ধানী ক্যামেরায় বন্দি করা তার একমাত্র নেশা। গত ৪০ বছরে দেশি-বিদেশি শত শত ব্যক্তিত্বকে তিনি ক্যামেরাবন্দি করেছেন। তার সংগ্রহে আছে কমপক্ষে ৩৫ জন নোবেল বিজয়ী ব্যক্তির পোরট্রেট এবং আলো ও আঁধারের কারুকাজে প্রতিটি পোরট্রেটকে করেছে জীবন্ত। কবি শামসুর রাহমান তাকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন ‘ক্যামেরার কবি’ হিসেবে। এটি সেই নিভৃতচারী ক্যামেরার কবির সাক্ষাৎকার
Sunday, August 10, 2014
সময়ের আলোচিত ৫ আলোকচিত্রী
শুরুটা স্মরণীয়। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের আলোকচিত্রীরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। সে অর্জনের ধারা অব্যাহত। অর্জনের দিক থেকে ২০১৪ সাল স্মরণীয় এবং অন্তত বাংলাদেশের ফটোগ্রাফির জন্য ঐতিহাসিকও। বছরের শুরুতেই আমাদের আলোকচিত্রীা বেশকিছু বিরল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। ফলে বিশ্বফটোগ্রাফিতে বাংলাদেশ আবারো একটি উচ্চতর আসনের অধিকারী হয়েছে। যে প্রতিভাবান আলোকচিত্রীরা বাংলাদেশকে আবারো বিশ্বদরবারে সসম্মানে তুলে ধরেছেন তাদের কয়েকজনকে নিয়ে এই নিবন্ধ
'আপনার মেধার প্রমাণ আপনার চূড়ান্ত ছবি' - স্টিভ ম্যাককারি
"কবিতা লেখা
শেষ করে সামনে রাখুন, পড়ুন, কেউ আপনাকে প্রশ্ন করবে না আপনি কি এটা হাতে
লিখেছেন নাকি টাইপ করেছেন। আপনি কবিতাটি লিখতে কত সময় ব্যয় করেছেন, কতবার
খসড়া করেছিলেন, তা নিয়েও কেউ মাথা ঘামাবে না। আপনি কত ছবি তুলেছেন তাতে
কিছুই যায়-আসে না। আপনার মেধার প্রমাণ আপনার চূড়ান্ত ছবি"
Subscribe to:
Posts (Atom)